Join Telegram Group to Get Latest Updates. Join Now

SCERT Assam Class 5 EVS Chapter 1 Question Answer in Bengali | পঞ্চম শ্রেণি পরিবেশ পাঠ ১ আমাদের পরিবেশ

আসাম বোর্ডের (SCERT) পঞ্চম শ্রেণির পরিবেশ বিজ্ঞান পাঠ ১ 'আমাদের পরিবেশ'-এর সম্পূর্ণ প্রশ্ন-উত্তর, টীকা ও সমাধান। Class 5 EVS Chapter 1 Question Answer
Class 5 EVS Chapter 1
Put your HTML text here

📘 পঞ্চম শ্রেণি EVS পাঠ ১ : আমাদের পরিবেশ

আমরা ও আমাদের পরিবেশ (তৃতীয় ভাগ) পঞ্চম শ্রেণি
 SCERT Assam | Bengali Medium


HomeClass 5EVS › আমাদের পরিবেশ

📝 Introduction

ভূমিকা : এই পাঠে আমরা আমাদের পরিবেশ (Our Environment) সম্পর্কে জানব।এই পাঠটিতে আমরা খুব সুন্দরভাবে জানতে পারব কীভাবে জৈবিক উপাদান (যেমন- উদ্ভিদ, প্রাণী, পাখি, অণুজীব) এবং অজৈবিক উপাদান (যেমন- বায়ু, জল, মাটি, সূর্যের আলো) মিলে আমাদের এই প্রাকৃতিক পরিবেশের সৃষ্টি করেছে । এছাড়াও মরুভূমির উট ও ক্যাকটাস , মেরু অঞ্চলের সাদা ভালুক ও পেঙ্গুইন কিংবা আমাদের আশেপাশের জলাভূমির জীববৈচিত্র্য—ভিন্ন ভিন্ন পরিবেশে উদ্ভিদ ও প্রাণীরা কীভাবে নিজেদের মানিয়ে নিয়ে বেঁচে থাকে, তার দারুণ সব তথ্য এই অধ্যায়ে রয়েছে । পাশাপাশি, মানুষ কীভাবে প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার করে রাস্তা-ঘাট, সেতু ইত্যাদি নির্মাণের মাধ্যমে মানবসৃষ্ট পরিবেশ তৈরি করেছে, সে সম্পর্কেও আমরা জানব । নিচে পাঠভিত্তিক ক্রিয়াকলাপ ও অনুশীলনীর প্রশ্নোত্তর চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের উপযোগী করে দেওয়া হলো।

শ্রেণি : পঞ্চম শ্রেণি | Class 5
বিষয় : পরিবেশ অধ্যয়ন (EVS)
পাঠ : পাঠ–১ : আমাদের পরিবেশ (Our Environment)


✍️ অনুশীলনীভিত্তিক ক্রিয়াকলাপের সমাধান

১. উত্তর লেখো | EVS Short Answer —

(ক) পরিবেশের জৈবিক উপাদান কয়টির নাম কী কী?

উত্তর: পরিবেশের জৈবিক উপাদান হলো মানুষ, প্রাণী ও উদ্ভিদ।

(খ) পেঙ্গুইন পাখির শরীরের গঠন কেমন?

উত্তর: পাখির শরীর ছোট ছোট পালকে আবৃত থাকে এবং ডানা দুটো হালকা হওয়ার জন্যেউড়তে পারে না। হাঁটতে ও সাঁতার কাটতে পারে।

(গ) জলাভূমি কাকে বলে?

উত্তর: সাধারণত সাময়িকভাবে বা স্থায়ীভাবে জলমগ্ন স্থানকেই জলাভূমি বলা হয়।

(ঘ) পরিবেশের অজৈবিক উপাদানসমূহ কী কী?

উত্তর: জল, বায়ু, মাটি, সূর্যের আলো ও তাপ পরিবেশের অজৈবিক উপাদান।

(ঙ) মানবসৃষ্ট পরিবেশ বলতে কী বোঝা?

উত্তর: মানুষের দ্বারা নির্মিত ঘরবাড়ি, রাস্তা, সেতু ইত্যাদিকে মানবসৃষ্ট পরিবেশ বলে।

(চ) মরুভূমিতে বসবাসকারী দুটি প্রাণীর নাম লেখো।

উত্তর: উট ও টিকটিকি।

২. শূন্যস্থান পূরণ করো—

(ক) ______ মরুভূমির প্রধান প্রাণী।

উত্তর: উট মরুভূমির প্রধান প্রাণী।

(খ) সাদা ভালুক ______ অঞ্চলে বাস করে।

উত্তর: সাদা ভালুক শীতল অঞ্চলে বাস করে।

(গ) তৃণভূমি অঞ্চলের বৃহৎ এলাকাতে ______ পাওয়া যায়।

উত্তর: তৃণভূমি অঞ্চলের বৃহৎ এলাকাতে বন্যপ্রাণী পাওয়া যায়।

(ঘ) মরুভূমিতে ______ জাতীয় উদ্ভিদ হয়।

উত্তর: মরুভূমিতে ক্যাকটাস জাতীয় উদ্ভিদ হয়।

(ঙ) সূর্যের আলো পরিবেশের একটি ______ উপাদান।

উত্তর: সূর্যের আলো পরিবেশের একটি অজৈবিক উপাদান।

৩। নিচের উক্তিগুলো শুদ্ধ করে লেখো—

(ক) সাদা ভালুক/হরিণ/জেব্রা মেরু অঞ্চলের প্রাণী।

উত্তর: সাদা ভালুক মেরু অঞ্চলের প্রাণী।

(খ) সিল/বল্গা হরিণ/চমরী গোরু বা ইয়াক এর শাখা-প্রশাখাযুক্ত শিং থাকে।

উত্তর: বল্গা হরিণ এর শাখা-প্রশাখাযুক্ত শিং থাকে।

(গ) জিরাফ/সিংহ/বাঘ তৃণভোজী প্রাণী।

উত্তর: জিরাফ তৃণভোজী প্রাণী।

৪। সংক্ষিপ্ত টীকা লেখো—

জলাভূমি::

যে নিচু জমিতে সারা বছর বা বছরের নির্দিষ্ট একটা সময় জল জমে থাকে বা কাদা-কাদা থাকে, তাকে জলাভূমি বলে। যেমন- বিল, হাওর, ডোবা, জলাশয় ইত্যাদি। জলাভূমিকে 'প্রকৃতির বৃক্ক' বা কিডনি বলা হয়, কারণ এটি জল পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। জলাভূমিতে অনেক রকম মাছ, ব্যাঙ, সাপ, নানা ধরনের পাখি এবং জলজ উদ্ভিদ (যেমন- পদ্ম, শালুক, কচুরিপানা) দেখতে পাওয়া যায়। পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং বন্যা আটকাতে জলাভূমির অনেক গুরুত্ব রয়েছে।

অণুজীব:

আমাদের চারপাশে এমন অনেক ছোট ছোট জীব ছড়িয়ে আছে যাদের আমরা খালি চোখে দেখতে পাই না। এদের দেখতে অনুবীক্ষণ যন্ত্র বা মাইক্রোস্কোপের প্রয়োজন হয়। এদেরকেই অণুজীব বলে। যেমন- ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, অ্যামিবা ইত্যাদি। কিছু অণুজীব আমাদের খুব উপকার করে, যেমন- দুধ থেকে দই তৈরি করতে বা মাটির উর্বরতা বাড়াতে সাহায্য করে। আবার কিছু ক্ষতিকর অণুজীব আমাদের শরীরে জ্বর, সর্দি, কলেরার মতো নানা রকম রোগ সৃষ্টি করে।

গ) জল ও বায়ু:

জল ও বায়ু হলো পৃথিবীতে আমাদের বেঁচে থাকার জন্য সবচেয়ে দরকারি দুটি জিনিস।

জল:

জল ছাড়া কোনো প্রাণী বা উদ্ভিদ বাঁচতে পারে না। আমরা তেষ্টা মেটাতে জল পান করি। এছাড়া স্নান করা, জামাকাপড় কাচা, রান্না করা থেকে শুরু করে চাষবাস ও কারখানার নানা কাজে জল ব্যবহার করা হয়। এই জন্যই জলের অপর নাম জীবন।

বায়ু:

আমাদের চারপাশ ঘিরে রয়েছে বায়ু বা বাতাস, যা আমরা চোখে দেখতে পাই না কিন্তু অনুভব করতে পারি। বাতাসে থাকে অক্সিজেন, যা আমরা শ্বাস নেওয়ার সময় গ্রহণ করে বেঁচে থাকি। আবার বাতাস থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস নিয়ে গাছেরা নিজেদের খাবার তৈরি করে।

সব জীবের সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য জল ও বাতাস দুটোকেই দূষণমুক্ত বা পরিষ্কার রাখা আমাদের সবার দায়িত্ব।

পরবর্তী পাঠের সমাধান দেখতে 👉 পাঠ–২ : ........

অতিরিক্ত প্রশ্ন ও উত্তর

পাঠভিত্তিক ক্রিয়াকলাপের সমাধান

(১) ভেবে বলো- আমাদের পরিবেশে যদি গাছপালা না থাকে, তবে কি হবে?

উত্তর: আমাদের পরিবেশে গাছপালা না থাকলে পৃথিবীতে কোনো প্রাণীই বেঁচে থাকতে পারবে না। প্রকৃতিতে শুধুমাত্র উদ্ভিদই নিজের খাদ্য নিজে প্রস্তুত করতে পারে । মানুষের মতো পৃথিবীর সকল জীবই খাদ্যের জন্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে উদ্ভিদের ওপর নির্ভরশীল । তাই গাছপালা না থাকলে আমরা কেউ খাবার পাবো না এবং আমাদের বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় প্রাকৃতিক পরিবেশ সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যাবে।

(২) ভেবে লেখো- তৃণভূমি অঞ্চলের তৃণভোজী প্রাণীগুলো কেনো দলবদ্ধভাবে থাকে?

উত্তর: তৃণভূমি অঞ্চলে হাতি, গন্ডার, হরিণ, জেব্রা, জিরাফ ইত্যাদি তৃণভোজী প্রাণীদের পাশাপাশি বাঘ, সিংহের মতো মাংসভোজী প্রাণীও বসবাস করে । মাংসাশী প্রাণীদের আক্রমণের হাত থেকে নিজেদের রক্ষা করতে এবং সহজে খাবার খোঁজার জন্য তৃণভোজী প্রাণীগুলো সবসময় দলবদ্ধভাবে থাকে ।

(৩) দলগতভাবে আলোচনা করে লেখো- জল, মাটি ও বায়ু আমাদের কি কি কাজে লাগে। প্রত্যেকটির দুটো করে কাজ লেখো।

উত্তর:

জল:

১) জল ছাড়া কোনো জীব বেঁচে থাকতে পারে না, আমাদের তেষ্টা মেটাতে ও শরীর সুস্থ রাখতে জল পান করা অত্যন্ত জরুরি

২) উদ্ভিদ তার বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় জল মাটি থেকে সংগ্রহ করে ।

মাটি:

১) মাটির গুণাগুণের ওপর ভিত্তি করে আমরা বিভিন্ন ধরনের কৃষিকাজ করে থাকি।

২) মাটি থেকে উদ্ভিদ তার প্রয়োজনীয় জল ও খনিজ লবণ সংগ্রহ করে, যা উদ্ভিদ ও প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য ।

বায়ু:

১) বায়ু আছে বলেই আমাদের এই পৃথিবী উদ্ভিদ, প্রাণী এবং মানুষের বসবাসের যোগ্য হয়ে উঠেছে।

২) বায়ুতে থাকা বিভিন্ন গ্যাস (যেমন- অক্সিজেন, কার্বন-ডাই-অক্সাইড) পৃথিবীর সকল জীবের বেঁচে থাকার জন্য অতি আবশ্যক ।

(৪) প্রাকৃতিক পরিবেশ ও মানসৃষ্ট পরিবেশের মধ্যে কি কি পার্থক্য দেখলে লেখো।

উত্তর:

প্রাকৃতিক পরিবেশ: আমাদের চারপাশের বায়ু, জল, মাটি, পাহাড়-পর্বত, নদী, উদ্ভিদ, প্রাণী ও অণুজীব ইত্যাদি উপাদান নিয়ে যে পরিবেশ প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্টি হয়েছে, তাকে প্রাকৃতিক পরিবেশ বলে ।

মানবসৃষ্ট পরিবেশ: মানুষ নিজের প্রয়োজন মেটানোর জন্য প্রাকৃতিক উপাদান বা সম্পদ ব্যবহার করে নতুন কৌশল প্রয়োগের মাধ্যমে ঘর-বাড়ি, রাস্তা-ঘাট, সেতু, কল-কারখানা ইত্যাদি নির্মাণ করে যে কৃত্রিম পরিবেশের সৃষ্টি করে, তাকে মানবসৃষ্ট পরিবেশ বলে ।

(৫) তোমাদের অঞ্চলে পাওয়া যায় এমন বিভিন্ন ধরনের উদ্ভিদের নাম লিখে তালিকা প্রস্তুত করো

উত্তর: আমাদের আসাম অঞ্চলে আম, কাঁঠাল, জাম, নিম, বট, নানা ধরনের ঘাস, এবং জলাভূমিতে কচুরিপানা ও কলমি শাক ইত্যাদি প্রচুর পরিমাণে দেখা যায় ।

(৬) তোমাদের অঞ্চলে কি কি প্রাণী ও উদ্ভিদ আছে?

উত্তর: প্রাণী- গোরু, ছাগল, হাঁস, মুরগি, কুকুর, বিড়াল এবং আসামের অরণ্যের কাছাকাছি হাতি ও গন্ডার ইত্যাদি দেখা যায় । উদ্ভিদ- আম, জাম, সুপারি, নারকেল, বাঁশ ইত্যাদি।

👉 Class 5 EVS Chapter 1 MCQ | আমাদের পরিবেশ Online Test

উপসংহার

আশা করি, আসাম বোর্ডের (SCERT) পঞ্চম শ্রেণির পরিবেশ বিজ্ঞানের প্রথম পাঠ 'আমাদের পরিবেশ' (Class 5 EVS Chapter 1)-এর এই আলোচনা এবং প্রশ্ন-উত্তরগুলো তোমাদের পড়াশোনায় অনেকটা সাহায্য করবে। এই পাঠ থেকে আমরা জানতে পারলাম যে, আমাদের চারপাশের জল, মাটি, বায়ু, উদ্ভিদ, প্রাণী ও অণুজীব—এই সবকিছু মিলেই আমাদের এই সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশ তৈরি হয়েছে ।

📄 PDF সহায়িকা

এই অধ্যায়ের PDF সহায়ক শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে এখানে পাওয়া যাবে:

👉 Class 5 EVS পাঠ ১ : আমাদের পরিবেশ PDF

পরবর্তী পাঠের সমাধান দেখতে 👉 পাঠ–২ : ............

🔗 Related Links

⚠️ Disclaimer:
This content is provided for educational purposes only. Textbook rights belong to SCERT / SEBA Assam.

এই পাঠ্যভিত্তিক প্রশ্নোত্তর প্রস্তুত করেছে — The Edu Barak